বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
যৌক্তিক কারণ ছাড়া প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্বে কঠোর জবাবদিহিতার নির্দেশ দুর্গাপূজায় টানা পাঁচ দিনের ছুটি, অনুদানও বাড়ালেন প্রধানমন্ত্রী জ্বালানির দাম বাড়লেই সংকট নিরসন, কীভাবে ? ব্যাখ্যা চায় কমিটি তথ্য অধিকার আইন: সচেতনতা বাড়লেও প্রয়োগে ভীতি ও ঘাটতি, আটকে আছে সাড়ে ৮০০-এর বেশি শুনানি একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা: জামায়াতের সাবেক এমপির জামাতা ডিবি হেফাজতে ভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধে লিগ্যাল নোটিশ হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সচেতনতার বিকল্প নেই : স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাড্ডার ঘটনায় বিএনপির কেউ জড়িত থাকলেও ব্যবস্থা: ডা. জাহেদ নিখোঁজ শিশুকে খুঁজছিল সবাই, ফুফুর কক্ষের বাক্সে পাওয়া গেল মরদেহ

আসিফের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ কি এআই দিয়ে বানানো? যা বলল দুদক

  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫.১৭ পিএম

টিডিএস ডেস্ক॥



সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির যে অনুসন্ধান চলছে, সেগুলো ‘এআই দিয়ে তৈরি’ কিনা, সেই প্রশ্নের মুখে পড়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার দুদকের ব্রিফিংয়ে কমিশনের সচিব সাইদুর রহমান খানের কাছে সাংবাদিকরা জানতে চান, অনুসন্ধানে নামার আগে অভিযোগের প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণ মিলেছিল কিনা?

জবাবে দুদক সচিব বলেন, অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই কমিশন পরবর্তী ধাপে গেছে। চলমান অনুসন্ধানে যেসব তথ্য পাওয়া যাবে, সে অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম নেওয়া হবে।

অভিযোগগুলো আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়ানো ‘এআই দিয়ে তৈরি’ তথ্যের সঙ্গে মিলে যাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হলে সচিব বলেন, “না, অনেক কথাই বলা হচ্ছে।”

পরে তিনি বলেন, “আপনারা নিজেরাই বুঝতে পারবেন যে এটা মনগড়া কিনা, বা আমরা আমাদের মতো করে কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করছি কিনা।”

আসিফের বিরুদ্ধে অভিযোগ অনুসন্ধানে নেওয়ার মতো প্রাথমিক ভিত্তি বা ‘প্রাইমা ফেসি’ ছিল কিনা, এমন প্রশ্নও আসে ব্রিফিংয়ে।

জবাবে দুদক সচিব বলেন, অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই পরবর্তী কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। অনুসন্ধান প্রতিবেদন পাওয়ার পর কমিশন পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।

আসিফের বিরুদ্ধে বিদেশে সম্পদ ও অর্থ পাচারের অভিযোগ থাকায় পারস্পরিক আইনি সহায়তা চেয়ে সংশ্লিষ্ট দেশে এমএলএআর পাঠানো হবে কিনা, সেটাও জানতে চান সাংবাদিকরা।

দুদক সচিব বলেন, “যদি আইনের আওতায় এটা পড়ে, আমরা অবশ্যই করব। এমএলএআর যদি পাঠাতে হয়, আমরা অবশ্যই পাঠাব। আমরা সত্যতা যাচাই করে যদি সেখানে সারবত্তা থাকে, তাহলে আমরা পরবর্তী ধাপে অগ্রসর হব।”

এমএলএআরের মাধ্যমে বিদেশি কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যাংক হিসাব, সম্পদ বা লেনদেনসহ কোনো তদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য ও আইনি সহায়তা চাওয়া যায়।

আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বিদেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচার, নিয়োগ-পদায়নে অর্থ লেনদেন, উন্নয়ন প্রকল্প ও টেন্ডারে কমিশন নেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুদক।

রোববার দুদকের তরফে বলা হয়, দুবাইয়ে ৪ হাজার ৫০০ কোটি, সিঙ্গাপুরে ৩ হাজার কোটি, অস্ট্রেলিয়ায় ২ হাজার কোটি এবং সুইজারল্যান্ডে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ রয়েছে। চার দেশের অভিযোগের অঙ্ক যোগ করলে তা ১১ হাজার কোটি টাকা হয়।

তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনও প্রমাণিত হয়নি।

এর মধ্যে আসিফের বিরুদ্ধে দুদকের তুলে ধরা কয়েকটি অভিযোগ ও টাকার অঙ্কের সঙ্গে প্রায় সাত মাস আগে অনলাইনে ছড়ানো একটি প্রতিবেদনের উল্লেখযোগ্য মিল থাকার বিষয়টি সামনে এসেছে। ওই পুরনো প্রতিবেদনে দাবিগুলোর পক্ষে যাচাইযোগ্য নথি বা নির্দিষ্ট সূত্র না থাকার কথাও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

আসিফ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সোমবার তিনি দুদকের অনুসন্ধানকে ‘প্রতিশোধের প্রক্রিয়া’ ও ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ হিসেবে বর্ণনা করেন।

ফটোকার্ড ডাউনলোড

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2023 The Daily Sky
Theme Developed BY ThemesBazar.Com