বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
যৌক্তিক কারণ ছাড়া প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্বে কঠোর জবাবদিহিতার নির্দেশ দুর্গাপূজায় টানা পাঁচ দিনের ছুটি, অনুদানও বাড়ালেন প্রধানমন্ত্রী জ্বালানির দাম বাড়লেই সংকট নিরসন, কীভাবে ? ব্যাখ্যা চায় কমিটি তথ্য অধিকার আইন: সচেতনতা বাড়লেও প্রয়োগে ভীতি ও ঘাটতি, আটকে আছে সাড়ে ৮০০-এর বেশি শুনানি একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা: জামায়াতের সাবেক এমপির জামাতা ডিবি হেফাজতে ভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধে লিগ্যাল নোটিশ হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সচেতনতার বিকল্প নেই : স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাড্ডার ঘটনায় বিএনপির কেউ জড়িত থাকলেও ব্যবস্থা: ডা. জাহেদ নিখোঁজ শিশুকে খুঁজছিল সবাই, ফুফুর কক্ষের বাক্সে পাওয়া গেল মরদেহ

হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সচেতনতার বিকল্প নেই : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২.০৮ পিএম

অনলাইন ডেস্ক॥



প্রতিবছর দেশে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রায় তিন লাখ মানুষের মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, হৃদরোগে মৃত্যুর এই ঝুঁকি কমাতে জনসচেতনতা বাড়ানোর বিকল্প নেই।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিশ্ব হার্ট দিবস উপলক্ষে রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটি আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হৃদয়ের কোনো সতর্কসংকেত বা লক্ষণকে উপেক্ষা করা যাবে না। অসংক্রামক রোগগুলোর মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই অধিকাংশ মানুষ মৃত্যুবরণ করে। তাই হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা সবাই সচেতন এবং সচেতনতার গুরুত্ব উপলব্ধি করি। কিন্তু অনেক সময় সেই সচেতনতাকে বাস্তব জীবনে কার্যকর করি না। হৃদরোগের ক্ষেত্রে এই প্রবণতা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। হৃদয়ের কোনো সংকেত বা সতর্কবার্তাকে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।’

মন্ত্রী বলেন, ‘শুধু হৃদরোগ নয়, সংক্রামক ও অসংক্রামক—সব ধরনের রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণেই জনসচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

চিকিৎসকদের সমাজের শ্রেষ্ঠ মানুষ হিসেবে উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘স্রষ্টার পরেই চিকিৎসকরাই মানুষের ভরসাস্থল। মানুষের দুঃসময়ে চিকিৎসকরাই সবার আগে পাশে দাঁড়ান। করোনাকালীন মহামারি থেকে শুরু করে ডেঙ্গু ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা নিজেদের জীবন ও নিরাপত্তার কথা না ভেবে মানুষের সেবায় নিয়োজিত থেকেছেন। তাদের এই মানবিক ও পেশাগত দায়িত্ববোধ দেশের মানুষের জন্য অনুকরণীয়।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হাসান, প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির প্রমুখ। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ডা. আ ফ খবির উদ্দিন আহমেদ।

উল্লেখ্য, এর আগে মন্ত্রী সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল বিএমইউ প্রাঙ্গণে বেলুন উড়িয়ে বিশ্ব হার্ট দিবসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন এবং দিবসটি উপলক্ষ্যে আয়োজিত র‍্যালিতে অংশ নেন।

কর্মসূচির এবারের প্রতিপাদ্য ‘ডোন্ট মিস আ বিট’। স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছাড়াও কার্ডিয়াক সোসাইটির আয়োজনে এ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্যকর্মীরা।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক পরিশ্রমের মাধ্যমে হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। আর হৃদরোগীদের চিকিৎসায় নানা রকম উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

ফটোকার্ড ডাউনলোড

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2023 The Daily Sky
Theme Developed BY ThemesBazar.Com