সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
ব্যাংকে অডিট চলাকালে ম্যানেজারের ‘আত্মহত্যা’, নেপথ্যে কী? থানায় ৩ অডিট সদস্য শাহজাদপুরে কোটি টাকার খাস জমি জবরদখল: অভিযান চালিয়ে সরঞ্জাম জব্দ করল প্রশাসন ১৭ বছরে অর্থনীতি ধ্বংস করে গেছে স্বৈরাচার, পুনরুদ্ধারে লড়ছে সরকার: শামা ওবায়েদ নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হলেন কোয়েল মল্লিক গরু ‘চুরি’ করে ছেলের বউভাত: গ্রেপ্তার বাবা ২০৩০ সালের মধ্যে শীর্ষ ৩০ অর্থনীতির একটি হতে পারে বাংলাদেশ: ইইউ রাষ্ট্রদূত জামিন নামঞ্জুর, আখতারুজ্জামান কারাগারে ২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২৫২ টাকা রাজধানীর বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সওজের মদ্যপ প্রকৌশলীকে ঘিরে বিতর্ক, সরকারের ভাবমূর্তি  ক্ষুন্নের অভিযোগ

যমুনা চরের পলিমাটিতে ফলছে লাল সোনা, দামে খুশি চাষীরা

  • আপডেট সময় রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ৫.৪৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত


স্টাফ রিপোর্টার॥



সিরাজগঞ্জের যমুনা নদীর চরে নতুন পলিমাটিতে এই বছর বাম্পার ফলন হয়েছে লাল সোনা খ্যাত মরিচের। ভালো দামে বিক্রি হওয়ায় চাষীদের মুখে হাসি ফুটেছে।

সিরাজগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এবছর জেলায় ১৫৫০ হেক্টর জমিতে মরিচের চাষ হয়েছে। চাষকৃত মরিচের মধ্যে রয়েছে হাইব্রিড জাত বিজলী, যমুনা, রশনী, ঝিলিক, উন্নত জাত বারি-৩, সুপার সনিক, রংপুরী, বগুড়া এবং স্থানীয় জাতের মরিচ। প্রতি হেক্টর জমিতে কাঁচা মরিচের উৎপাদন হয়েছে ১১.২৫ মেট্রিক টন এবং শুকনা মরিচের উৎপাদন ২.৪ থেকে আড়াই মেট্রিক টন।

স্থানীয় বাজারে প্রতি মন শুকনা মরিচ ১২–১৬ হাজার টাকা, আর কাঁচা মরিচ ১০০–১২০ টাকা কেজি দামে বিক্রি হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় মরিচের ফলন ভালো হয়েছে। পাইকাররা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে কাঁচা ও শুকনা মরিচ কিনতে আসছেন। প্রতি সপ্তাহে শনি ও বুধবার কাজিপুরের নাটুয়াপাড়া হাট বসে, যেখানে দেশের বড় কোম্পানির প্রতিনিধি ও ব্যাপারীরা মরিচ কিনে নিয়ে যান।

নাটুয়াপাড়া গ্রামের মরিচ চাষি হাফিজ উদ্দিন জানান, তার এক বিঘা জমিতে চাষ করা মরিচের চার মণ শুকনো মরিচ বাজারে বিক্রি করলে প্রায় ৯৬ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন। মেছড়া চরের কৃষক আব্দুল হামিদ বলেন, দুই বিঘা জমিতে চাষ করা মরিচের ৪০ মণ কাঁচা মরিচ ইতোমধ্যে বিক্রি করেছেন, এছাড়া চার মণ মরিচ শুকিয়ে রেখেছেন, যা বিক্রি করলে প্রায় এক লাখ টাকার মরিচ বিক্রি হবে বলে আশা করছেন।
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ নাসিম হোসেন বলেন, “ভালো দামের আশায় চরের কৃষকরা মরিচ চাষে আগ্রহী। সদর উপজেলায় এবছর ৭০০ হেক্টর জমিতে মরিচের চাষ হয়েছে।” কাজীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানান, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চরের কৃষকরা মরিচ চাষে নেমেছেন। এখানে হেক্টর প্রতি শুকনা মরিচের উৎপাদন ২.৪–২.৫ মেট্রিক টন এবং স্থানীয় জাত ছাড়াও বেড গোল্ড, বিজলী প্লাস, বালিজুরি জাতের মরিচ চাষ হচ্ছে।

সিরাজগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক এ কে এম মঞ্জুরে মওলা বলেন, “মরিচের ভালো দাম থাকায় চরের কৃষকরা মরিচ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। এবছর জেলায় মরিচের ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন।”

ফটোকার্ড ডাউনলোড

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2023 The Daily Sky
Theme Developed BY ThemesBazar.Com