বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ১১:৩৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সিরাজগঞ্জে ‎“গণতন্ত্রে সাংবাদিকদের ভূমিকা ও অধিকার রক্ষা” শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শিক্ষক নাকি জুয়াড়ী? সিরাজগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজ জুয়ার আড্ডায় পরিণত হওয়ার অভিযোগ পুলিশও জানে না মহাসড়কে এগুলো বৈধ না অবৈধ? সরকার বরাদ্দ দেয় সুরক্ষার জন্য, বালুদস্যুরা গ্রাস করে পৈতৃক সম্পত্তির মতো..! হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জের নির্মাণকাজ প্রায় শেষের পথে, ১৬ই ডিসেম্বর উদ্বোধনের সম্ভাবনা নির্বাহী প্রকৌশলীর কেরামতি, দুর্নীতি ধুয়ে ৭ দিনেই ‘পবিত্র’ সিরাজগঞ্জে ডিপিএইচই-এর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্ট: সময় ও খরচ বেড়েছে, অগ্রগতি আটকে আছে একই জায়গায় ‘এক কোটি ২৮ লাখ তো নিছেন আপনারা সবাই’, সেই অডিওতে ফেঁসে গেছেন পুলিশ কর্মকর্তা ডিপিএইচই: অবশেষে দুর্নীতি ও অনিয়মের দায়ে পিডি তবিবর সাময়িক বরখাস্ত সারা দেশে ইন্টারনেট নিয়ে দুঃসংবাদ দিল বিএসসিসিএল

মৌ বক্স স্থাপন করে সফল কাজিপুরের যুবকরা

  • আপডেট সময় সোমবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২৪, ৭.০৫ পিএম
ছবি: সংগ্রহীত

কাজিপুর সংবাদদাতা॥

প্রথমবারের মতো সরিষা ক্ষেতের আইলে মৌবক্স স্থাপন করে বাড়তি লাভের দেখা পেয়ে খুশি কাজিপুরের মৌচাষীরা। ইতোমধ্যে চাক থেকে প্রথমবার মধু সংগ্রহ করে তা ভালোদামে বিক্রি করে বাড়তি লাভের মুখ দেখেছেন তারা। আর এতে করে আগামীতে কাজিপুরের বিস্তির্ণ চরাঞ্চলসহ উপজেলায় সরিষা চাষিরা বাড়তি পাওনা হিসেবে সরিষাক্ষের পাশে মৌচাষ বাড়তে পারে। এমনটিই উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে।

উপজেলা কৃষি অফিসের সহায়তা ও পরামর্শ মেনে গত ডিসেম্বরের শেষের দিকে নিজেদের সরিষাক্ষেতের পাশে মৌবক্স স্থাপন করেন কৃষকেরা। শুরুতে মৌচাষে কৃষকদের আগ্রহী করতে প্রচারণা চালায় উপজেলা কৃষি অফিস। পরে প্রথমবারের মতো গান্ধাইল এবং চালিতাডাঙ্গায় ২০টি বক্স স্থাপন করেন চারজন কৃষক।

শনিবার উপজেলার গান্ধাইল ও চালিতাডাঙ্গায় গিয়ে দেখা যায়, মৌবক্সগুলোতে মৌমাছি ঢুকছে আর বের হয়ে সরিষাক্ষেতের দিকে উড়ে যাচ্ছে। সেখানে মৌমাছি সরিয়ে চাক বের করে মধু সংগ্রহ করা হচ্ছে। কাজিপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার ফয়সল আহমেদ ও উপসহকারি কৃষি অফিসার মাহমুদুল হাসান কৃষকদের সাথে মধু সংগ্রহের কাজ করছেন।

গান্ধাইলের মৌচাষী শাজাহান আলী জানান, কৃষি স্যারের কথায় এবার আমি ১৬ টি বাক্স নিছি। আমি ৭০ লিটার মধু পাইছি। আরও পামু। এতে আমি খুব খুশি। অনেকটা শখের কারণেই চারটি বাক্স সরিষাক্ষেতের আইলে স্থাপন করছেন বলে জানান চালিতাডাঙ্গা গ্রামের কৃষক ফরহাদ হোসেন। তিনি বলেন, প্রথমবারেই দশ লিটার একেবারে খাঁটি মধু পাইছি। প্রতিকেজি পাঁচশ থেকে ছয়শ টাকা করে বিক্রি করছি। বাড়তি আয়ে আমি অনেক খুশি। আগামীতে আরও মৌ বাক্স বাড়াবো।

উপজেলা কৃষি অফিসার শরিফুল ইসলাম জানান, এই প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের বাড়তি আয় যেমন হবে তেমনি মৌমাছির পরাগায়ণে জমির ফলনও ভালো হবে। একারণে এবার কৃষকদের মৌচাষে উদ্বুদ্ধ করি।এতে তারা সাড়া দিয়ে এখন বাড়তি টাকা পাচ্ছে। এতে করে আগামীতে মৌচাষের পরিধি বাড়বে বলে আশা করছি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2023 The Daily Sky
Theme Developed BY ThemesBazar.Com