বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৭:২৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকার বরাদ্দ দেয় সুরক্ষার জন্য, বালুদস্যুরা গ্রাস করে পৈতৃক সম্পত্তির মতো..! হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জের নির্মাণকাজ প্রায় শেষের পথে, ১৬ই ডিসেম্বর উদ্বোধনের সম্ভাবনা নির্বাহী প্রকৌশলীর কেরামতি, দুর্নীতি ধুয়ে ৭ দিনেই ‘পবিত্র’ সিরাজগঞ্জে ডিপিএইচই-এর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্ট: সময় ও খরচ বেড়েছে, অগ্রগতি আটকে আছে একই জায়গায় ‘এক কোটি ২৮ লাখ তো নিছেন আপনারা সবাই’, সেই অডিওতে ফেঁসে গেছেন পুলিশ কর্মকর্তা ডিপিএইচই: অবশেষে দুর্নীতি ও অনিয়মের দায়ে পিডি তবিবর সাময়িক বরখাস্ত সারা দেশে ইন্টারনেট নিয়ে দুঃসংবাদ দিল বিএসসিসিএল শজনে ভেবে লাজনা খাচ্ছেন কি? দুটির পার্থক্য জেনে রাখুন অস্তিত্ব হারাতে বসেছে তথ্য অধিকার আইন-২০০৯: বঞ্চিত তথ্য প্রত্যাশীরা হতাশ রাজশাহী মেডিকেলে আইসিইউর অপেক্ষায় এক মাসে ৯১ শিশুর মৃত্যু

অন্তর্বর্তী সরকার হাম প্রতিরোধে মনোযোগ দেয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • আপডেট সময় রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৬.৫৮ পিএম
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ফাইল ছবি। সংগৃহীত


স্টাফ রিপোর্টার॥



বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতা কিংবা যেকোনো কারণেই হোক হাম-রুবেলা প্রতিরোধে যথাযথ প্রচারণা ও নিয়ন্ত্রণে মনোযোগ দেওয়া হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

রোববার (৫ এপ্রিল) বেলা ১১টায় কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু উপজেলায় হাম-রুবেলা প্রতিরোধে জরুরি টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ঢাকা থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, হাম-রুবেলা প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচি যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে, যাতে রোগটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে না পড়ে। তিনি জানান, প্রথম ধাপে দেশের ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় এ কর্মসূচি শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে সব জেলায় তা সম্প্রসারণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ২০২৬ সালের মধ্যে হাম নিয়ন্ত্রণে এনে শিশুমৃত্যু শূন্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু উপজেলায় প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার শিশুকে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সম্প্রতি জেলায় হাম আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। গত একদিনেই ২৫ জন শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং বর্তমানে জেলা সদর হাসপাতালে ৪২ জন চিকিৎসাধীন রয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় রামু উপজেলার রাজিয়া নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় হাম-সদৃশ উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, মহেশখালী, হোয়াইক্যং, রামুর মিঠাছড়ি এবং কক্সবাজার শহরের কয়েকটি এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। পরিস্থিতি মোকাবিলায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পৃথক আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেওয়া হবে। জ্বর থাকলে সুস্থ হওয়ার পর টিকা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2023 The Daily Sky
Theme Developed BY ThemesBazar.Com