বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:২২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
পরীক্ষা নয়, এবারও ফলের ভিত্তিতে একাদশে ভর্তি এমন বিভেদ চললে শেখ হাসিনা তালি বাজাবেন : রিজভী আওয়ামী লীগ বিদেশ থেকে উঁকিঝুকিঁ দিচ্ছে, তৎপরতার মুরোদ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাজীপুরে ভূমি অফিসে ডিসি’র আকস্মিক অভিযান, চার কর্মকর্তা বরখাস্ত ছাগল–কাণ্ডের মতিউরের দুর্নীতি মামলার বিচার শুরু সম্মিলিত অংশগ্রহণেই পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়া সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী সমকামিতার অভিযোগ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলাবিধিতে কী আছে ক্ষেত থেকে ভোক্তা, কাঁচা মরিচের কেজিতে বেড়ে যাচ্ছে ২৫০-৩০০ টাকা দুবাইয়ে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন বেনজীর নতুন ডিএজি-এএজিদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান অ্যাটর্নি জেনারেলের

ডিটেনশন সেন্টারগুলোর অর্ধেকই র‍্যাবের: গুম কমিশন

  • আপডেট সময় সোমবার, ৫ জানুয়ারী, ২০২৬, ৬.৩৫ পিএম


টিডিএস ডেস্ক:



আওয়ামী শাসনামলে প্রায় ৪০টির মতো ডিটেনশন সেন্টার তৈরি করা হয়েছিল বলে উল্লেখ করেছে গুম কমিশন। কমিশন বলেছে, এর মধ্যে ২২-২৩ টি সেন্টারই ছিল র‍্যাবের। প্রতিটি সেন্টারে অসংখ্য ডিটেনশন সেল রয়েছে।
আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) গুম সংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারির গুলশান অফিসে সংবাদ সম্মেলন এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মোট ১ হাজার ৫৬৯টি অভিযোগ কমিশনের সক্রিয় বিবেচনায় ছিল, যার মধ্যে ২৫১ জন নিখোঁজ (যাদের সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি)। ৩৬ জনের গুম পরবর্তী মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। নিখোঁজদের অবস্থান নির্ধারণে কমিশন সংশ্লিষ্ট বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তা, সন্দেহভাজন ব্যক্তি, শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্য ও বেসামরিক সাক্ষীসহ মোট ২২২ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
কমিশন অব ইনকোয়ারি অ্যাক্ট, ১৯৫৬-এর ধারা ৩-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ২০২৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর জারিকৃত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ কমিশন গঠিত হয়েছে। কমিশনটির ম্যান্ডেট হলো ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে বলপূর্বক গুমের ঘটনা অনুসন্ধান করা, গুম হওয়া ব্যক্তিদের সন্ধান ও শনাক্ত করা। সেইসঙ্গে কোন পরিস্থিতিতে এসব ঘটনা সংঘটিত হয়েছে তা নির্ধারণ করা।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2023 The Daily Sky
Theme Developed BY ThemesBazar.Com