সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:২৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
নিখোঁজ বৃদ্ধ শংকর মিত্রের সন্ধান চায় পরিবার ! ঢাকার সড়ক ব্যাটারিচালিত রিকশার দখলে, নিয়ন্ত্রণে ৮ জোনের মহাপরিকল্পনা সিরাজগঞ্জে ৪ কেজির বেশি হেরোইনসহ গ্রেপ্তার ২, ট্রাক জব্দ বিড়ালের মতো মিউ মিউ শব্দ : জলাতঙ্ক নয়, প্যানিক অ্যাটাক হয়েছিল শিশুটির প্রতিদিন কোটি টাকার বিদ্যুৎ খায় অটোরিকশা নেতৃত্বশূন্য মানবাধিকার কমিশন ফেনীর নুসরাত হত্যা মামলায় ১৬ আসামির মধ্যে দুজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল হাইকোর্টে ৮ বছর ধরে নিবন্ধনহীন, সিরাজগঞ্জের রাস্তায় রাজত্ব করছে ৪০ হাজার সিএনজি অটোরিকশা ভুয়া চালকলে বরাদ্দ: রায়গঞ্জে উত্তেজনা, তদন্ত কমিটি সময় চায় আরো ১৫ দিন জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনিযুক্ত মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের শ্রদ্ধা

ফেনীর নুসরাত হত্যা মামলায় ১৬ আসামির মধ্যে দুজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল হাইকোর্টে

  • আপডেট সময় সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ২.০৬ পিএম


প্রতিবেদক:



ফেনীর সোনাগাজীর আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

মামলায় আসামিদের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন), আপিল ও জেল আপিলের ওপর শুনানি নিয়ে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ সোমবার এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তাঁরা হলেন সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা এবং শাহাদাত হোসেন শামীম।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত–পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। অগ্নিসন্ত্রাসের এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।

নুসরাত হত্যা মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ের পর ডেথ রেফারেন্সের জন্য রায়সহ নথিপত্র ২০১৯ সালের ২৯ অক্টোবর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এসে পৌঁছায়, যা ১৪০/১৯ ডেথ রেফারেন্স হিসেবে নম্বরভুক্ত হয়।

চাঞ্চল্যকর মামলা হিসেবে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্সের জন্য পেপারবুক তৈরি করা হয়। আসামিরাও পৃথক আপিল ও জেল আপিল করেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনসংক্রান্ত ডেথ রেফারেন্স, আপিল ও বিবিধ বিষয়াদি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনতে গত ১০ জুন হাইকোর্টের সুনির্দিষ্ট বেঞ্চ গঠন করে দেন প্রধান বিচারপতি। বেঞ্চটি ১৪ জুন কার্যক্রম শুরু করেন। এ বেঞ্চে চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলায় গত ২৮ জুলাই শুনানি শুরু হয়েছিল। শুনানি শেষ হয় ২০ আগস্ট। সেদিন রায়ের জন্য ২৪ আগস্ট তারিখ ধার্য করেন হাইকোর্ট। সে অনুযায়ী, আজ রায় হলো।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2023 The Daily Sky
Theme Developed BY ThemesBazar.Com