বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৭:২৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকার বরাদ্দ দেয় সুরক্ষার জন্য, বালুদস্যুরা গ্রাস করে পৈতৃক সম্পত্তির মতো..! হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জের নির্মাণকাজ প্রায় শেষের পথে, ১৬ই ডিসেম্বর উদ্বোধনের সম্ভাবনা নির্বাহী প্রকৌশলীর কেরামতি, দুর্নীতি ধুয়ে ৭ দিনেই ‘পবিত্র’ সিরাজগঞ্জে ডিপিএইচই-এর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্ট: সময় ও খরচ বেড়েছে, অগ্রগতি আটকে আছে একই জায়গায় ‘এক কোটি ২৮ লাখ তো নিছেন আপনারা সবাই’, সেই অডিওতে ফেঁসে গেছেন পুলিশ কর্মকর্তা ডিপিএইচই: অবশেষে দুর্নীতি ও অনিয়মের দায়ে পিডি তবিবর সাময়িক বরখাস্ত সারা দেশে ইন্টারনেট নিয়ে দুঃসংবাদ দিল বিএসসিসিএল শজনে ভেবে লাজনা খাচ্ছেন কি? দুটির পার্থক্য জেনে রাখুন অস্তিত্ব হারাতে বসেছে তথ্য অধিকার আইন-২০০৯: বঞ্চিত তথ্য প্রত্যাশীরা হতাশ রাজশাহী মেডিকেলে আইসিইউর অপেক্ষায় এক মাসে ৯১ শিশুর মৃত্যু

যমুনা চরের পলিমাটিতে ফলছে লাল সোনা, দামে খুশি চাষীরা

  • আপডেট সময় রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ৫.৪৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত


স্টাফ রিপোর্টার॥



সিরাজগঞ্জের যমুনা নদীর চরে নতুন পলিমাটিতে এই বছর বাম্পার ফলন হয়েছে লাল সোনা খ্যাত মরিচের। ভালো দামে বিক্রি হওয়ায় চাষীদের মুখে হাসি ফুটেছে।

সিরাজগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এবছর জেলায় ১৫৫০ হেক্টর জমিতে মরিচের চাষ হয়েছে। চাষকৃত মরিচের মধ্যে রয়েছে হাইব্রিড জাত বিজলী, যমুনা, রশনী, ঝিলিক, উন্নত জাত বারি-৩, সুপার সনিক, রংপুরী, বগুড়া এবং স্থানীয় জাতের মরিচ। প্রতি হেক্টর জমিতে কাঁচা মরিচের উৎপাদন হয়েছে ১১.২৫ মেট্রিক টন এবং শুকনা মরিচের উৎপাদন ২.৪ থেকে আড়াই মেট্রিক টন।

স্থানীয় বাজারে প্রতি মন শুকনা মরিচ ১২–১৬ হাজার টাকা, আর কাঁচা মরিচ ১০০–১২০ টাকা কেজি দামে বিক্রি হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় মরিচের ফলন ভালো হয়েছে। পাইকাররা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে কাঁচা ও শুকনা মরিচ কিনতে আসছেন। প্রতি সপ্তাহে শনি ও বুধবার কাজিপুরের নাটুয়াপাড়া হাট বসে, যেখানে দেশের বড় কোম্পানির প্রতিনিধি ও ব্যাপারীরা মরিচ কিনে নিয়ে যান।

নাটুয়াপাড়া গ্রামের মরিচ চাষি হাফিজ উদ্দিন জানান, তার এক বিঘা জমিতে চাষ করা মরিচের চার মণ শুকনো মরিচ বাজারে বিক্রি করলে প্রায় ৯৬ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন। মেছড়া চরের কৃষক আব্দুল হামিদ বলেন, দুই বিঘা জমিতে চাষ করা মরিচের ৪০ মণ কাঁচা মরিচ ইতোমধ্যে বিক্রি করেছেন, এছাড়া চার মণ মরিচ শুকিয়ে রেখেছেন, যা বিক্রি করলে প্রায় এক লাখ টাকার মরিচ বিক্রি হবে বলে আশা করছেন।
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ নাসিম হোসেন বলেন, “ভালো দামের আশায় চরের কৃষকরা মরিচ চাষে আগ্রহী। সদর উপজেলায় এবছর ৭০০ হেক্টর জমিতে মরিচের চাষ হয়েছে।” কাজীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানান, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চরের কৃষকরা মরিচ চাষে নেমেছেন। এখানে হেক্টর প্রতি শুকনা মরিচের উৎপাদন ২.৪–২.৫ মেট্রিক টন এবং স্থানীয় জাত ছাড়াও বেড গোল্ড, বিজলী প্লাস, বালিজুরি জাতের মরিচ চাষ হচ্ছে।

সিরাজগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক এ কে এম মঞ্জুরে মওলা বলেন, “মরিচের ভালো দাম থাকায় চরের কৃষকরা মরিচ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। এবছর জেলায় মরিচের ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন।”

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2023 The Daily Sky
Theme Developed BY ThemesBazar.Com