বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৮:১৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকার বরাদ্দ দেয় সুরক্ষার জন্য, বালুদস্যুরা গ্রাস করে পৈতৃক সম্পত্তির মতো..! হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জের নির্মাণকাজ প্রায় শেষের পথে, ১৬ই ডিসেম্বর উদ্বোধনের সম্ভাবনা নির্বাহী প্রকৌশলীর কেরামতি, দুর্নীতি ধুয়ে ৭ দিনেই ‘পবিত্র’ সিরাজগঞ্জে ডিপিএইচই-এর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্ট: সময় ও খরচ বেড়েছে, অগ্রগতি আটকে আছে একই জায়গায় ‘এক কোটি ২৮ লাখ তো নিছেন আপনারা সবাই’, সেই অডিওতে ফেঁসে গেছেন পুলিশ কর্মকর্তা ডিপিএইচই: অবশেষে দুর্নীতি ও অনিয়মের দায়ে পিডি তবিবর সাময়িক বরখাস্ত সারা দেশে ইন্টারনেট নিয়ে দুঃসংবাদ দিল বিএসসিসিএল শজনে ভেবে লাজনা খাচ্ছেন কি? দুটির পার্থক্য জেনে রাখুন অস্তিত্ব হারাতে বসেছে তথ্য অধিকার আইন-২০০৯: বঞ্চিত তথ্য প্রত্যাশীরা হতাশ রাজশাহী মেডিকেলে আইসিইউর অপেক্ষায় এক মাসে ৯১ শিশুর মৃত্যু

মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে শরতের কাশফুল

  • আপডেট সময় সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৩.১০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত


স্টাফ রিপোর্টার॥



বাংলাদেশে ঋতুবৈচিত্র্যের অন্য উদাহরণ শরৎকাল। গ্রীষ্মের প্রখর তাপ আর বর্ষার অবিরাম বৃষ্টির পর শরৎ আসে এক স্নিগ্ধ, শান্ত রূপ নিয়ে।

এই ঋতুর প্রধান আকর্ষণ হলো কাশফুলের সাদা সমারোহ। কাশফুল যেন শুভ্রতার প্রতীক, যা জানান দেয় শরতের আগমন। নদীর ধারে, খোলা মাঠে কাশফুলের বন বাতাসে দুলতে থাকে, যা দেখতে অত্যন্ত মনোরম।

কাশফুলের নরম ছোঁয়া, শুভ্রতা ও সাদা মেঘের মত ভেসে যাওয়ার দৃশ্য সবারই মন কেড়ে নেয়।

নড়াইলেরও বেশ কয়েকটি জায়গায় কাশফুল দেখতে ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা।

জানা গেছে, নড়াইল পৌর এলাকার মহিষখোলায় বালুর মাঠ নামের বিশাল এলাকায় আছে দিগন্তজোড়া কাশবন। বিভিন্ন জায়গায় কাশফুল ফুটলেও এ স্থানটি উল্লেখ্যযোগ্য। এসব জায়গায় এরই মধ্যে কাশফুল ফুটতে শুরু করেছে। এ জায়গায় প্রতিদিনই সৌন্দর্য পিপাসু অসংখ্য মানুষ ছুটে যাচ্ছেন।

বিশেষ করে শুক্র ও শনিবার বন্ধের দিনে ভিড় বেশি হয়। শরতের আকাশে ভেসে বেড়ানো মেঘের ভেলা আর মাটিতে ফুটে থাকা কাশফুলের শুভ্রতা মানুষের মনে আনন্দের দোলা দেয়।

এই সৌন্দর্য উপভোগের জন্য মানুষ দলে দলে ছুটে আসে কাশবনে। প্রতিদিন বিকেল হলেই অসংখ্য মানুষ ঘুরতে আসেন। অনেকেই পরিবার নিয়ে সৌন্দর্য উপভোগ করেন। শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সের মানুষকেই এসব জায়গায় ঘুরতে আসতে দেখা যায়। সবাই পরিবার নিয়ে কাশবনের ছবি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। অনেকেই কাশফুল ছিঁড়ে মুঠোভর্তি করে নিয়ে যাচ্ছেন।

কেউ কেউ আবার প্রিয়জনদের কাশফুল উপহারও দিচ্ছেন। এসব জায়গায় প্রতিদিনই প্রকৃতি প্রেমীদের মিলনমেলা হচ্ছে।

কাশবনে ঘুরতে আসা আতিকুর রহমান সনেট নামের এক যুবক বলেন, আমার বাড়ি পাশের গ্রামে আমি মাঝে মাঝেই এখানে আসি কাশফুলের সৌন্দর্য আমাকে মুগ্ধ করে। এখানকার কাশবনের পুরো অংশে এখনো ফুল ফোঁটেনি। পুরোটা ফুঁটলে সৌন্দর্য আরও বেড়ে যাবে।

যশোর জেলার বাঘারপাড়া থেকে আসা লিখন হোসেন নামের এক যুবক বলেন, আমরা বন্ধুরাসহ প্রতিবছরই এখানের কাশফুলের সৌন্দর্য দেখতে আসি। এখানে আসলেই মন ভালো হয়ে যায়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2023 The Daily Sky
Theme Developed BY ThemesBazar.Com