বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
ব্যাংকে অডিট চলাকালে ম্যানেজারের ‘আত্মহত্যা’, নেপথ্যে কী? থানায় ৩ অডিট সদস্য শাহজাদপুরে কোটি টাকার খাস জমি জবরদখল: অভিযান চালিয়ে সরঞ্জাম জব্দ করল প্রশাসন ১৭ বছরে অর্থনীতি ধ্বংস করে গেছে স্বৈরাচার, পুনরুদ্ধারে লড়ছে সরকার: শামা ওবায়েদ নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হলেন কোয়েল মল্লিক গরু ‘চুরি’ করে ছেলের বউভাত: গ্রেপ্তার বাবা ২০৩০ সালের মধ্যে শীর্ষ ৩০ অর্থনীতির একটি হতে পারে বাংলাদেশ: ইইউ রাষ্ট্রদূত জামিন নামঞ্জুর, আখতারুজ্জামান কারাগারে ২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২৫২ টাকা রাজধানীর বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সওজের মদ্যপ প্রকৌশলীকে ঘিরে বিতর্ক, সরকারের ভাবমূর্তি  ক্ষুন্নের অভিযোগ

সিরাজগঞ্জে শীতের আগাম সবজির বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৩.৩৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত


স্টাফ রিপোর্টার॥



সিরাজগঞ্জের যমুনা ও ইছামতি নদীর চরজুড়ে আগাম শীতকালীন সবজির বাম্পার ফলন হয়েছে। মৌসুম শুরুর আগেই বাজারে সবজি তুলে ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকদের মুখে এখন স্বস্তির হাসি। বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর চরাঞ্চলে ধনেপাতা, লালশাক, মুলা, পুঁইশাক, লাউ, ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, টমেটো, ডাটা, পালংশাকসহ নানা জাতের সবজি চাষ করা হয়েছে এবং ইতোমধ্যে অনেক সবজি বাজারজাতও হচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি রবি মৌসুমে জেলায় ৩ হাজার ৬৪০ হেক্টর জমিতে শীতকালীন সবজি চাষ হয়েছে। যমুনার পলিমাটিতে উৎপাদিত এসব সবজি দ্রুত বাজারে ওঠে এবং ভালো দামে বিক্রি হওয়ায় কৃষকরা আশানুরূপ লাভ পাচ্ছেন। বর্তমানে বাজারে ফুলকপি ৭০–৮০ টাকা, বেগুন ১০০–১২০ টাকা, শিম ১৬০ টাকা, মুলা ৫০–৬০ টাকা, কাঁচা পেঁপে ৩০ টাকা, পাকা পেঁপে ৭০–৮০ টাকা, কাঁচামরিচ ১৬০ টাকা এবং পেঁয়াজ ১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

যমুনার চরাঞ্চলের কৃষক জানে আলম জানান, তার ২৬ শতক জমিতে লালশাক, পালংশাক, ধনেপাতা ও মুলা চাষ করেছেন। মুলা ও পালংশাক বিক্রি শুরু হয়েছে, আর লালশাকও কয়েক দিনের মধ্যেই বিক্রির উপযোগী হবে।

একইভাবে মল্লিকা পাড়া চরের কৃষক শফিকুর ১২ শতক জমিতে লালশাক, পালংশাক ও মুলাশাক চাষ করে ভালো ফলনের আশা করছেন।

কাজিপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শরিফুল ইসলাম বলেন, যমুনা চরে প্রতিবছরই কৃষকরা আগাম সবজি চাষ করে লাভবান হন। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে কৃষকদের আরও বেশি লাভ হবে। কৃষি অফিস থেকে নিয়মিত পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক একে এম মঞ্জুরে মওলা জানান, যমুনার পলিমাটিতে উৎপাদিত সবজি মান ও উৎপাদনে অনন্য। বাজারে ভালো দাম মিলছে, ফলে কৃষকদের লাভজনক অবস্থান আরও শক্ত হচ্ছে।

ফটোকার্ড ডাউনলোড

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2023 The Daily Sky
Theme Developed BY ThemesBazar.Com