রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
ব্যাংকে অডিট চলাকালে ম্যানেজারের ‘আত্মহত্যা’, নেপথ্যে কী? থানায় ৩ অডিট সদস্য শাহজাদপুরে কোটি টাকার খাস জমি জবরদখল: অভিযান চালিয়ে সরঞ্জাম জব্দ করল প্রশাসন ১৭ বছরে অর্থনীতি ধ্বংস করে গেছে স্বৈরাচার, পুনরুদ্ধারে লড়ছে সরকার: শামা ওবায়েদ নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হলেন কোয়েল মল্লিক গরু ‘চুরি’ করে ছেলের বউভাত: গ্রেপ্তার বাবা ২০৩০ সালের মধ্যে শীর্ষ ৩০ অর্থনীতির একটি হতে পারে বাংলাদেশ: ইইউ রাষ্ট্রদূত জামিন নামঞ্জুর, আখতারুজ্জামান কারাগারে ২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২৫২ টাকা রাজধানীর বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সওজের মদ্যপ প্রকৌশলীকে ঘিরে বিতর্ক, সরকারের ভাবমূর্তি  ক্ষুন্নের অভিযোগ

ডিটেনশন সেন্টারগুলোর অর্ধেকই র‍্যাবের: গুম কমিশন

  • আপডেট সময় সোমবার, ৫ জানুয়ারী, ২০২৬, ৬.৩৫ পিএম


টিডিএস ডেস্ক:



আওয়ামী শাসনামলে প্রায় ৪০টির মতো ডিটেনশন সেন্টার তৈরি করা হয়েছিল বলে উল্লেখ করেছে গুম কমিশন। কমিশন বলেছে, এর মধ্যে ২২-২৩ টি সেন্টারই ছিল র‍্যাবের। প্রতিটি সেন্টারে অসংখ্য ডিটেনশন সেল রয়েছে।
আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) গুম সংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারির গুলশান অফিসে সংবাদ সম্মেলন এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মোট ১ হাজার ৫৬৯টি অভিযোগ কমিশনের সক্রিয় বিবেচনায় ছিল, যার মধ্যে ২৫১ জন নিখোঁজ (যাদের সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি)। ৩৬ জনের গুম পরবর্তী মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। নিখোঁজদের অবস্থান নির্ধারণে কমিশন সংশ্লিষ্ট বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তা, সন্দেহভাজন ব্যক্তি, শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্য ও বেসামরিক সাক্ষীসহ মোট ২২২ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
কমিশন অব ইনকোয়ারি অ্যাক্ট, ১৯৫৬-এর ধারা ৩-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ২০২৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর জারিকৃত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ কমিশন গঠিত হয়েছে। কমিশনটির ম্যান্ডেট হলো ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে বলপূর্বক গুমের ঘটনা অনুসন্ধান করা, গুম হওয়া ব্যক্তিদের সন্ধান ও শনাক্ত করা। সেইসঙ্গে কোন পরিস্থিতিতে এসব ঘটনা সংঘটিত হয়েছে তা নির্ধারণ করা।

ফটোকার্ড ডাউনলোড

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2023 The Daily Sky
Theme Developed BY ThemesBazar.Com